সারসংক্ষেপ:
নিধির কণ্ঠে আকুতি। সিমরান মৃদু চমকালো। বিস্মিত হয়ে তাকাল নিধি আপুর দৃষ্টিতে। নিধির দৃষ্টিজোড়া ঝাপসা। মুখ জুড়ে তীব্র অসহায়ত্ব। কী এমন বলতে চায় নিধি সিমরানকে? সিমরান নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করল৷ অকস্মাৎ সিমরানকে ছেড়ে ধপ করে মেঝেতে বসে পড়ল নিধি। তারপর বুকফাটা এক আর্তচিৎকার। সিমরান আঁতকে উঠল সেই কান্নারত চিৎকার শুনে। স্পষ্ট বুঝল তার যন্ত্রণার চেয়েও অধিক যন্ত্রণা বুকে পুষে আছে নিধি আপু। তবে কী সেই যন্ত্রণা? ধীরেধীরে হাঁটু মুড়িয়ে নিধির সামনে বসল সিমরান। অসহায় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে প্রশ্ন করল, “বলো নিধি আপু। কী বলতে চাও তুমি?” নিধি কাঁদছে। হাউমাউ করে কাঁদছে। প্রচণ্ড শক্ত ব্যক্তিত্বের মেয়েটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়ার মতো আচরণ করছে। সবার সব সমস্যা তুড়ি মেরে সমাধান করা মেয়েটি মারাত্মক সমস্যা বুকে ধারণ করেছে। প্রাণ চঞ্চল হাসিখুশি মেয়েটার দেহে প্রাণ নেই যেন। বুদ্ধিমতী সেই মেয়েটি আজ সম্পূর্ণ বুদ্ধি ভ্রষ্ট৷ এর দায় কার? তার, সৌধর নাকি ভাগ্যের?