সারসংক্ষেপ:
"আমার অর্ধভেজা প্রহরের উষালগ্ন হবেন? যার উষ্ণতায় তরঙ্গ হব আমি। হবেন আমার অর্ধভেজা শহরের তেজস্বী রবিশশী? যার ঊর্জস্বল বক্ষে আমার স্থান সবার ঊর্ধ্বস্থিত যেখানে হবে আমার নিরাপত্তা সমেত একটুকরো প্রশান্তির আবাস। হবেন আমার কষ্টেভেজা সফরের সফরসঙ্গী? যার বিশ্বস্ত স্কন্ধে আমার ঠাঁই হবে আমরণ।" এইটুকু লিখে হাত আপনাআপনিই থেমে গেল অয়ন্তির। সে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল চিরকুটখানার দিকে। ওষ্ঠে ফুটে উঠল মলিন হাসি। নির্ঘুম নেত্রজোড়া ভিজে উঠল এক বর্জিত ব্যথায়। সে কলম ফেলে লেখার ওপর আলতো করে হাত বুলিয়ে নিল কয়েকবার। এমন ধরনের চিরকুট অনেকবারই লিখেছে, তবে মানুষটাকে দেওয়া হয়নি একটিবারও। তবে এবার মনস্থির করেই ফেলেছে-চিরকুটখানা পাঠাবেই আবরণের কাছে, তবুও কেন জানি একটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে! অবাধ্য মন নিজ স্বরে বলে যাচ্ছে, "প্রত্যেকবারের মতো আদৌ এটা পৌঁছাবে কাঙ্ক্ষিত মানুষটার কাছে; না-কি পুনরায় বিশ্বাস ভঙ্গ হয়ে ঠকে যাবে মুখোশধারী শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে?"