সারসংক্ষেপ:
সুন্দরী ডাচেস ডি গ্র্যামোঁর প্রেমে ব্যর্থ হয়ে রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়লেন মারকুইস ডি’উরফ। সবকিছুই অসহ্য লাগছিলো তাঁর কাছে। অবশেষে হতাশা কাটাতে ফরাসি সরকারের বিশেষ দূত হিসাবে তিনি চললেন মলডাভিয়ার গসপোদারের সাথে দেখা করতে। পূর্ব ইউরোপের রহস্যময় সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে রীতিমতো হারিয়ে ফেললেন মারকুইস।একটি গ্রামে গরজা নামের এক লোকের বাড়িতে রাতে থাকার কথা ছিলো তাঁর। কিন্তু গরজা নাকি দশ দিন আগে বিশেষ এক অভিযানে চলে গিয়েছে। বলে গেছে যে দশ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর ও যদি ফিরে আসে তাহলে যেন ওকে আর বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়া হয়। এই নিয়ে বেজায় চিন্তায় রয়েছে গরজার দুই ছেলে জর্জেস আর পিটার এবং ওর তার ছোট মেয়ে জেনকা।সেই রাতে ঐ বাড়িতেই থেকে গেলেন মারকুইস। গরজাও ফিরে এলো। কিন্তু জর্জেসের দৃঢ় বিশ্বাস, যে গরজা আর মানুষ নেই। পরিণত হয়েছে এক অভিশপ্ত ভরদালাক বা ভ্যাম্পায়ারে!সুন্দরী জেনকার প্রেমে পড়ে গেলেন মারকুইস। কী আছে আর তাঁর ভাগ্যে?জানতে পড়ুন ১৮৩৯ সালে লেখা উপন্যাসিকা ‘দ্য ফ্যামিলি অব দ্য ভরদালাক’।