ফ্যাক্টফুলনেস (হার্ডকভার)

ফ্যাক্টফুলনেস (হার্ডকভার)

(0 রিভিউ)
৳280 ৳400 30% ছাড়
বইয়ের বিবরণী
বইয়ের নামফ্যাক্টফুলনেস (হার্ডকভার)
লেখকলুৎফুল কায়সার
প্রকাশনীগ্রন্থরাজ্য
ক্যাটাগরিআন্তর্জাতিক রাজনীতি
পৃষ্ঠা সংখ্যা216
ভাষাবাংলা
দেশবাংলাদেশ
ইন স্টক (10 কপি)
বইয়ের বিস্তারিত
সারসংক্ষেপ:
"Factfulness: Ten Reasons We're Wrong About the World--and Why Things Are Better Than You Think" পৃথিবী সম্পর্কে আপনি কতোটুকু জানেন? মিডিয়াগুলো যা দেখায় সেটুকুই, তাই না? পশ্চিমা দেশগুলো অন্যদের নিয়ে কতোটুকু ভাবে? তাদের সেই ধারণা কতোটা সত্য? প্রকৃত পক্ষেই কি পৃথিবীর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে? শেষ হয়ে যাচ্ছে মানবতা? উন্নতি তো হচ্ছেই না বরং চারদিকে শুধু অবনতি? পশ্চিমা মিডিয়া চায় এটাই সবাই বিশ্বাস করুক। ডা. হ্যান্স রোজলিং তার সারাজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে দেখিয়েছেন সেই প্রকৃত বাস্তবতা যা কোনো সংবাদমাধ্যম আপনাকে দেখাবে না। নিজেদের অজান্তেই উন্নতি করছি আমরা, কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমাদের ফেলে রাখছে হতাশার চোরাবালিতে। আপনি কি সত্য জানতে চান? তবে চোখ বন্ধ করে তুলে নিন বইটি। অনেকের মতে এটি বিংশ শতাব্দীর সেরা ননফিকশন বই। "আমার পড়া অন্যতম সেরা বই, যদি পৃথিবীর প্রকৃত বাস্তবতা জানতে চান তবে এটি আপনার জন্য অপরিহার্য।" – বিল গেটস। **** পশ্চিমাদের কথায় কথায় এশিয়ানদের দায়ী করার প্রবণতা *** ভারত এবং চীনের মতো উঠতি অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলো ইতোমধ্যেই কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসণের শীর্ষে উঠে গেছে। ২০১৬ সালের হিসাবে চীন আমেরিকার চাইতেও বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের জন্য দায়ী সেখানে ভারত জার্মানির থেকে বেশি। এই হিসাব কে করেছে? না কোনো সংস্থা করেনি। ২০০৭ সালে পরিবেশ দূষণ বিষয়ক একটি সেমিনারে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত একটি দেশের একজন পরিবেশ মন্ত্রী এই অভিযোগ তোলেন। সেখানে ভারত আর চীনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। চীনের প্রতিনিধি রাগী চোখে চুপ করে বক্তাকে দেখছিলেন অপর দিকে ভারতীয় প্রতিনিধি বারবার হাত নেড়ে বোঝাতে চাচ্ছিলেন যে তিনি কিছু বলতে চান। অবশেষে বলার সুযোগ দেওয়া হলো ওনাকে। ভদ্রলোকের চেহারা বেশ অভিজাত। দেখেই বোঝা যায় দীর্ঘকাল সরকারি উচ্চপদে চাকরি করেছেন। পরে শুনেছিলাম বিশ্বব্যাংক এবং আরও কয়েকটি সংস্থার সাথেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। গম্ভীর কণ্ঠে তিনি বলতে শুরু করলেন, “আপনারা, মানে তথাকথিত ধনী দেশগুলো, বহুকাল ধরে কয়লা, তেল পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলেছেন। আপনারা এই ধারা শুরু করেছেন,” একটু থামলেন তিনি, “আপনাদের কারণেই পৃথিবীর আজ এই অবস্থা, পৃথিবীর কোন জায়গাটা আগের মতো রেখেছেন? কিন্তু তারপরেও আমরা আপনাদের মাফ করে দিচ্ছি। তবে একটা ছোট্ট হিসাবে আসুন তো। দেশের হিসাব বাদ দিয়ে মানুষের হিসাবে আসুন, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষেরই গাড়ি নেই, তারা সাইকেলে যাতায়াত করে। জনে জনে গাড়ি আছে কোন দেশগুলোতে? এবার একটু বিবেচনা করুন, যুগের পর যুগ ধরে কারা পরিবেশ দূষণ করে চলেছেন?” অসাধারণ বলেছিলেন তিনি। বারবার এই সভাগুলোতে ভারত আর চীনকে দায়ী করা হয়। কিন্তু পশ্চিমারা যে বছরের পর বছর পরিবেশ দূষণ করে চলেছে, সেটা? সেটা কেন আমরা ভুলে যাই? আমরা কেন ওদের দিকেই আঙুল তুলি? চীনের জনসংখ্যা আমেরিকার চাইতে অনেক বেশি, কিন্তু আমেরিকার এই অল্প জনসংখ্যাতেই পরিবেশ দূষণের হার চীনের কাছাকাছি। নরওয়ে মাত্র ৫ মিলিয়ন জনসংখ্যা নিয়েও কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণে অনেক ওপরের দিকে। প্রতি জনে হিসাব করুন আর দেখুন পরিবেশ দূষণের জন্য কারা দায়ী।

একই ক্যাটাগরির বই

কাস্টমার রিভিউ