সারসংক্ষেপ:
পুড়ে যাওয়া একটা লাশ। পরিচয় খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, মেয়েটা তিন বছর আগে হারিয়ে গিয়েছিল। অপহরণ? মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন সাসপেষ্ট। তেইশ বছর আগে একইভাবে নিখোঁজ হয়েছিল আরেকটা মেয়ে। সেবারেও সন্দেহের তীর ছিল এই লোকটার দিকে। কিন্তু কিছু প্রমাণ করা যায়নি। এবার যাবে? অসম্ভব একটা কেস। মাথার চুল ছিঁড়তে ছিঁড়তে বন্ধু গ্যালিলিওর স্মরণাপন্ন হলো চিফ ইন্সপেক্টর কুশানাগি। রহস্যের জট সে নিজে খুলতে পারেনি। গ্যালিলিও পারবে? হিগাশিনো লিখেছেন প্রচুর। নিজের লেখাকে ভেঙ্গেচুরে এক্সপেরিমেন্টও তিনি কম করেননি। কিন্তু ডিটেকটিভ গ্যালিলিও সিরিজটা পড়তে গেলে বোঝা যায় হিগাশিনো কেনো হিগাশিনো। মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো রহস্য, পারিবারিক মূল্যবোধ ধরে রাখার জটিল মনস্তত্ত্ব, সামাজিক রীতিনীতির গভীর বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা চরিত্রের তুখোড় মেধাশক্তির পরিচয় মিলিয়ে পাকা রাঁধুনীর মতো তিনি যে ডিশ উপস্থাপন করেন, তার স্বাদ নেয়া মাত্র পাঠক নির্দ্বিধায় মেনে নেন হিপাশিনোর শ্রেষ্ঠত্ব। সাইলেন্ট প্যারেডও তার ব্যতিক্রম হবে না, পাঠক এখানেও খুঁজে পাবেন সেই আদি ও আসল কেইপো হিগাশিনো। প্যারান্টিড।