সারসংক্ষেপ:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান ভাসাভাসা। এজন্য আমরা বিভ্রান্তিতে ভুগি। যার যার মতাে করে ব্যাখ্যা দেই। কিন্তু বিষয়টি এত সহজ নয়। আজ পর্যন্ত মানব ইতিহাসে যত ঘটনা ঘটেছে সেগুলাের মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্থান সর্বাগ্রে। এত রক্তক্ষয় এবং এত ট্র্যাজেডি ভবিষ্যতে আর কখনাে ঘটবে কিনা সন্দেহ। এ যুদ্ধ নিয়ে কম লেখালেখি হয়নি। তবে অধিকাংশ বই-ই মিত্রপক্ষের লেখা। এসব বই একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট । অক্ষশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আরেকটি পক্ষ। পরাজিত হওয়ায় তাদের পক্ষে কেউ কলম ধরে না। তাদের কথা কেউ শুনতেও চায় না। মিত্রপক্ষ যা বলছে সবাই তাই বিশ্বাস করছে। কিন্তু ন্যায়বিচারের মানদণ্ডে তা সঠিক হতে পারে না। যুদ্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে আলােচনা ও দায়দায়িত্ব নির্ধারণ এবং যুদ্ধের বিবরণ প্রদানে উভয়পক্ষের বক্তব্যকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ট্র্যাজেডিতে সেই চেষ্টাই করা হয়েছে।