সারসংক্ষেপ:
উপন্যাসের কাহিনি ও চরিত্রের মধ্য দিয়ে কাব্যের বৈশিষ্ট্য পল্লবিত করে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন যা কালের প্রেক্ষাপটে আজও পাঠককে বিমুদ্ধ করে চলেছে। কপালকুণ্ডলা-কে তিনি একটি সার্থক শিল্পপ্রতিমা হিসেবে গড়ে তুলেছেন। গঠনশৈলীর বিচারেও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি হিসেবে আজও বিবেচ্য অন্যদিকে এ উপন্যাসে লেখক কাব্যিক আবহকে অবলম্বন করেছেন নিখুঁতভাবে। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলা'র চরিত্র, কাহিনির গতিশীলতা, পরিণতি-এ সব মিলে কপালকুণ্ডলা উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।