সারসংক্ষেপ:
বারিধারার নির্জন ‘কুঞ্জলতা’ বাড়িতে বাবা-মায়ের স্নেহে বেড়ে ওঠা চঞ্চল কিশোরী বেলা বোস। বাবার আদরে অভিমানী, মায়ের চোখে অস্থির ফুলের মতো বেলা। একদিন সেই নির্জন বাড়ির চিলেকোঠায় ভাড়াটিয়া হয়ে প্রবেশ করল রোদচশমা পরা এক বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া যুবক। গেইটের ভেতরে পা রাখতেই তার দৃষ্টি পড়ল ঝরে থাকা শিউলি ফুলের সাদা আস্তরণে। বুটজুতার তলায় ফুলগুলো চাপা দিতে দিতে তার মনে হলো–এ পথ যেন শুধু তার জন্যই সাজানো, কারও যত্নে বিছানো এক ভালোবাসার অর্ঘ্য। কিন্তু মুহূর্তেই ভেঙে গেল সেই ভাবনা। বারান্দা থেকে কিশোরী বেলা চিৎকার করে উঠল, “আব্বা, আব্বা! দেইখেন তো, কোন কানার ঘরের কানা আমার সব ফুল পিষা দিতাছে!” সেই ঘটনাই হয়ে উঠল সূচনা। পড়াশোনার ফাঁকে টিউশনি আর চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া সেই যুবক কি শেষমেশ নিজের করে নিতে পারল তার ‘বেলা বোস’ নামের চঞ্চল প্রেমিকাকে?