সারসংক্ষেপ:
অনেক্ষণ যাবৎ দরজার এপাশ থেকে উঁকিঝুঁকি মারছে ধ্রুব। কিছুতেই ভেতর থেকে মেয়েগুলো বের হচ্ছে না। ধ্রুবকে এক পলক দেখে ভেতর থেকে একজন মেয়ে মজার ছলে সবাইকে বলে উঠল, “এই বের হ, বের হ। ওইদিকে একজনের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে নিজের হবু বউকে না দেখতে পেরে।” ধ্রুবের শ্রুতিতে পৌঁছালো মেয়েটার কথা। পর্দার অগোচরে থাকা গেল না আর। মুখে খানিকটা গাম্ভীর্য ভাব আনার চেষ্টা করলো। কাশি দেওয়ার ভঙ্গিমায় কন্ঠনালী ঝেড়ে রুমের ভেতরে প্রবেশ করলো সে। অন্যদিকে দৃষ্টি রেখে বলল, “মা পাঠিয়েছে দেখতে, সাজ হলো নাকি…” মেয়েগুলো ঠোঁট টিপে হাসলো। একে একে সবাই বেরিয়ে পড়ল। সবাই বেরিয়ে যেতেই ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দিলো ধ্রুব। চট করে আঁধারীনির হাঁটুতে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে সে। আঁধারীনি লাজুক হেসে বলল, “ওরা কি ভাবলো বলুনতো ধ্রুব ভাই, তর সইছিল না একটুও তাই না?” “ঘরে চাঁদ রেখে, বাইরের চাঁদ দেখতে ইচ্ছে করলো না।”